গুগলের ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন অনুযায়ী ওয়েবসাইট তৈরি ও জনপ্রিয় করুন

  • vhadmin 
Create and optimize websites for search engines

আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে গুগলের ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন অনুযায়ী ওয়েবসাইট তৈরি ও জনপ্রিয় করা যায় তার উপর। কারণ, আজকাল যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বানিজ্য, পড়ালেখাসহ আরও অনেক কিছুই অনলাইনভিত্তিক হচ্ছে। কিন্তু হুটহাট ওয়েবসাইট তৈরি করার পরিবর্তে যথেষ্ট হিসাব-নিকাশ, পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা ভালো। আর তা যেনো গুগলের মান নির্দেশিকা অনুযায়ী হয়, সেজন্যই এই রচনাটি লেখা হলো।

ইন্টারনেট সকলের জন্য উন্মুক্ত ও অবারিত একটি মাধ্যম। এর মানে এই নয় যে, আপনি এখানে যা খুশি তা করতে পারবেন। ইন্টারনেট যাতে সবার জন্য উপকারী হয়, তা নিশ্চিত করতে গুগলের কিছু গাইডলাইন আছে, যা মেনে একজন ব্যবহারকারীকে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়।

একটি সফল ওয়েবসাইট তৈরি করা কোনো সহজ কাজ নয়। এজন্য যথেষ্ট পূর্ব পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি থাকতে হয়। নিচে আমরা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে কি কি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে, তা নিয়ে আলোচনা করবো।

ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় পাতা ও কনটেন্ট তৈরি করা:

ওয়েবসাইট তৈরি করার আগে অবশ্যই ওয়েবসাইটের সমস্ত কনটেন্ট ও বিষয়বস্তু গুলো লিখে ফেলুন। এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটে কয়টা পাতা হবে, হোমপেইজের ডিজাইন ও কনটেন্ট কেমন হবে, তা সাজিয়ে নিন। হোমপেজে খুব বেশী তথ্য না রেখে মূল বিষয়বস্তু সংক্ষেপে সাজিয়ে দিলেই হবে।

একটি উপযুক্ত প্রাইভেসি পলিসি পেইজ তৈরি করা:

ওয়েবসাইটে আপনি গ্রাহকদের যেসব তথ্য নিয়ে থাকেন এবং এই তথ্যগুলো কিভাবে ব্যবহার ও সংরক্ষণ করে থাকেন, তার বিস্তারিত বিবরণ গোপনীয়তার নীতিমালা পেইজে লিখিত থাকে। এতে একজন ব্যবহারকারী আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করার আগেই তার কোনো গোপনীয়তা নষ্ট হবে কিনা তা জানতে পারে। গুগলের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটে গোপনীয়তার নীতিমালা সম্পর্কিত তথ্যসমূহ রাখতে হবে।

একটি ব্যবহারের শর্তাবলীর পেইজ তৈরি করা:

যেকোনো ওয়েবসাইটে একজন ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটের তথ্য ও বিষয়বস্তু কিভাবে ব্যবহার করবে, সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় শর্ত দেয়া হয়। যেমন একজন ব্যবহারকারী চাইলেই কোনো ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি ও অন্যান্য বিষয়বস্তু যেখানে খুশি সেখানে কপি পেস্ট করতে পারবে না। এটা কপিরাইট আইন অনুযায়ী একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, তার ফলে গুগল আপনার ওয়েবসাইটের ফলাফল সার্চ ইঞ্জিন থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে পারে। তাই এ বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া উচিৎ।

প্রায়শ জিজ্ঞাস্য প্রশ্নগুলোর জন্য কি আলাদা পেইজ ও কনটেন্ট তৈরি করা:

আপনার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে গ্রাহকদের অনেক প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা থাকতে পারে। এগুলোর উত্তর আপনি চাইলে একটি আলাদা পেইজে সাজিয়ে রাখতে পারেন। যাতে আপনার গ্রাহক বা সেবাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর আপনার সার্ভিস বা পণ্য কেনার আগেই পেয়ে যেতে পারে। ইংরেজীতে এই প্রশ্নগুলোকে ফ্রিকুয়েন্টলি আস্কড কোয়েশ্চেন বা সংক্ষেপে FAQ বলা হয়। তবে প্রশ্নগুলো অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ ও উত্তরগুলো সংক্ষিপ্ত রাখতে হবে।

যোগাযোগ করার জন্য একটি আলাদা পেইজ তৈরি করা:

আপনার সম্ভাব্য গ্রাহক বা ক্রেতা যখন আপনার ওয়েবসাইট ঘুরে কোনও পণ্য বা সেবা সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহের উত্তর পেয়ে যাবে, তখন তাঁরা পরবর্তী ধাপে আপনার সাথে যোগাযোগ করে আরো কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা বা দরদাম করতে পারে। এছাড়াও কোনও গ্রাহক পণ্য ক্রয় পরবর্তী সেবা পেতে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। আর এই যোগাযোগের পদ্ধতিটি সহজ করার জন্যই মূলত আপনার সাথে যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্যসহ একটি আলাদা পেইজ তৈরি করতে পারেন। এই পেইজে থাকবে একটি সরাসরি কন্টাক্ট ফরম যাতে ইমেইল, নাম ও ফোন নাম্বার প্রদান করার সুবিধা থাকবে। গুগল ম্যাপসহ আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, যাতে কেউ চিঠিপত্র পাঠাতে চাইলে ও দেখা করতে চাইলে তা করতে পারবে। এবং আপনার ব্যবসায়িক ফোন নম্বরও দিতে হবে।

একটি আলাদা সার্ভিস বা শপিং পেজ তৈরি করা:

পণ্যের গুণাগুণ হয়তো বর্ণনা করেছেন। কি ধরনের সেবা প্রদান করেন সে সম্পর্কেও বিস্তারিত লিখেছেন। কিন্তু আলাদাভাবে সার্ভিস বা পণ্য ক্রয়ের জন্য কোনও ব্যবস্থা রাখেন নি। তাহলে আপনার গ্রাহক বা ক্রেতা তাৎক্ষনিক পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে চাইলে তা পারবে না। আর এজন্যই সার্ভিস বা শপের জন্য আলাদা করে পেইজ তৈরি করতে হবে। সার্ভিস পেইজে আপনি কি কি সেবা প্রদান করেন তা সংক্ষেপে তুলে ধরুন। এবং এই পেইজের নিচে প্রত্যেক সার্ভিসের জন্য কিছু সাব-পেইজ তৈরি করুন। এই পেইজগুলোতে আপনি প্রত্যেক সার্ভিসের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য এবং প্যাকেজ বা প্রাইসিং টেবিল যোগ করতে পারেন। এছাড়া প্যাকেজ প্ল্যান বা প্রাইসিং টেবিলের জন্য আলাদা পেইজও তৈরি করতে পারেন।

সবগুলো লেখা অনন্য এবং নকল থেকে মুক্ত হতে হবে

অনেক সময় অন্য কারো লেখা নিজের লেখা বলে চালিয়ে দেয়ার একটা প্রবনতা দেখা যায়। বিশেষ করে অনলাইনে এই জিনিসটা অনেক বেশী হয়। এটা কপিরাইট আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন, বিশেষ করে যদি লেখকের এতে সায় ও অনুমতি না থাকে। তাই আপনার ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি ও অন্যান্য বিষয়বস্তু যাতে নকল থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকে, এই বিষয়টি খুব খেয়াল রাখতে হবে। গুগলের বিশেষ সার্চ অ্যালগরিদমের কারণে এই ধরনের কনটেন্ট গুগল খুব সহজেই শনাক্ত করতে পারে।

নিয়মিত ব্লগ পোস্ট তৈরী করা

কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের জন্য নিয়মিত ব্লগ পোস্ট তৈরি করা অনেক জরুরী। আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যদি নিয়মিত ভিজিটর চান, তাহলে নিয়মিত ব্লগ পোস্ট করতে হবে। কনটেন্ট মার্কেটিংয়ে প্রমোশনাল রচনা আপনার বিক্রি বহুগুণে বাড়িয়ে দিবে। এজন্য সঠিক কীওয়ার্ড ও আকর্ষণীয় ভাষায় কনটেন্ট লেখা অত্যন্ত জরুরী।

আপনার পোস্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা

আপনি যত সুন্দর ও ভালো করেই কনটেন্ট লিখেন না কেন, যদি তা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার না করেন, তাহলে আপনি কাংক্ষিত ভিজিটরের কাছে পৌঁছুতে পারবেন না। আর এটা বিক্রি বাড়ানোর জন্য এক ধরনের মার্কেটিং পদ্ধতিও। তাই শুধু মানসম্মত কনটেন্ট লিখলেই হবে না, তা যাতে সঠিক ক্রেতা বা গ্রাহকের চোখের সামনে পড়ে তাও নিশ্চিত করতে হবে।

আলাদা পাঠক গোষ্ঠী তৈরি করতে একটি ইমেইল লিস্ট তৈরি করা

ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা করে নিয়মিত শ্রোতা বা পাঠক গোষ্ঠী তৈরি করার জন্য ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের থেকে ইমেইল সংগ্রহ করা জরুরী। সাধারণত, মানুষ সারাদিন ধরে কোন কোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করেছে, তা খুব সহজেই ভুলে যায়। তাই ভালো কোনও লেখা বা পণ্য দেখলেও সেটা পরে আর তাঁদের মনে থাকে না। এজন্য তাঁদের নাম ও ইমেইল সংগ্রহ করতে আপনি একটি ইমেইল সাবস্ক্রিপশন ফরম ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে আপনি কখনোই সম্ভাব্য ক্রেতা ও গ্রাহকদেরকে হারাবেন না। এবং সময়ে সময়ে তাঁদেরকে ইমেইল পাঠিয়ে আপনি আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট জানাতে পারেন।    

ওয়েবসাইটে কোন আপডেট অথবা কোন নতুন কোনও পণ্য সংযোজন হলে ইমেইল লিস্ট অনুযায়ী ইমেইল ও নিউজলেটার পাঠানো

আপনার পাঠক ও গ্রাহকদের কাছে আপনার ওয়েবসাইটটি জনপ্রিয় ও উপকারী করে তুলতে চাইলে ওয়েবসাইটের কোনও আপডেট বা নতুন কোনও পণ্য সংযোজন হলে তাঁদেরকে ইমেইলে নিউজলেটার পাঠাতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটিকে ইমেইল মার্কেটিং বলে। একসাথে অনেক ইমেইল ঠিকানায় ইমেইল পাঠানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয়, ইমেইল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন। এসব সেবা পাওয়ার জন্য অনলাইনে ফ্রি এবং পেইড দুই ধরনের মাধ্যম পাওয়া যায়। ইমেইল লিস্ট জেনারেট করার পর আপনি এসব সার্ভিস ব্যবহার করে ইমেইল মার্কেটিং করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ও ইমেইল মার্কেটিং থেকে প্রাপ্ত ভিজিটরের উপর একটি ধারাবাহিক উন্নতির রিপোর্ট তৈরি করা।

উপরে বর্ণিত কনটেন্ট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ও ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার ভিজিটর বা গ্রাহক কি পরিমাণ বৃদ্ধি পেলো তা বের করতে আপনি ধারাবাহিক উন্নতির উপর একটি রিপোর্ট তৈরি করতে পারেন। অনেক প্ল্যাটফর্মেই এ ধরনের প্রগ্রেস রিপোর্ট তৈরি করার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে বিভিন্ন অ্যানালাইটিক বা ডাটা বিশ্লেষণী সফটওয়্যার বা সেবাসমূহে আপনি এ ধরনের কাজ করার সুযোগ পাবেন। যেমন, গুগল অ্যানালাইটিকস।

ভিজিটর থেকে কয়জন গ্রাহক হয়েছে তা বের করা

বিভিন্নভাবে আপনার ওয়েবসাইটটি মানুষ খুঁজে পেতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল ও সার্চ ইঞ্জিন। তবে, যে মাধ্যম থেকেই আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসুক না কেন, এদের কেউ কেউ হয়তোবা আপনার কাছ থেকে কেনাকাটা করবে। যারা আপনার ওয়েবসাইটে কিছু কেনাকাটা করতে এসেছে বা কিছু কিনেছে তাঁরা যাতে আবার আপনার ওয়েবসাইট থেকে কিছু কিনে, এজন্যই মূলত সার্চ মার্কেটিং করা হয়। এর মাধ্যমে একজন গ্রাহককে সেই পণ্যগুলোই বার বার দেখানো হয়, যা সে কোনও ওয়েবসাইট থেকে কিনেছে, বা কিনতে চাচ্ছে। এই জিনিসটি করা হয় গুগল অ্যাডওয়ার্ডস এর মাধ্যমে। মানে এখানে বিজ্ঞাপন দিয়ে আপনি লক্ষ লক্ষ আগ্রহী ক্রেতার কাছে খুব সহজেই পৌঁছে যাবেন। ফেসবুকে একে পিক্সেল এড বলা হয়। এই জিনিষটি আপনি লোকাল ক্লাসিফায়েড ওয়েবসাইটে এড পোস্ট করেও করতে পারেন। 

জনপ্রিয় পোস্ট ও পণ্য খুঁজে পেতে গুগল সার্চ কনসোল ব্যবহার করা।

আপনার ওয়েবসাইটে কোন পোস্টটি বেশী জনপ্রিয় হয়েছে ও কোন পোস্টটি মানুষ খুঁজছে, তা বের করতে গুগল সার্চ কনসোল ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন, কোন কীওয়ার্ড ব্যবহার করে মানুষ আপনাকে খুঁজে পাচ্ছে। এবং কোন কনটেন্টগুলো আপনার ওয়েবসাইটে জনপ্রিয় হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষের আগ্রহ ধরে রাখতে হলে আপনাকে এসব বিষয়ের উপর নতুন নতুন কনটেন্ট লিখতে হবে বা এই ধরনের পণ্যগুলোই বেশী উঠাতে হবে, যা মানুষ বেশী পছন্দ করে। পণ্যের জনপ্রিয়তা সার্চ ছাড়াও বিক্রয় দেখে বোঝা যায়।

সমমানের ও সমগোত্রীয় অন্যান্য ওয়েবসাইটে লিংক তৈরি করা

এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ব্যাকলিংক তৈরি করা। তবে প্রতিষ্ঠিত কোনও ওয়েবসাইটের সাথে লিংক তৈরি করা খুব সহজ নয়। আপনি ব্যাকলিংক তৈরি করার জন্য অনলাইনে অনেক ধরনের ওয়েবসাইট পাবেন, যেখানে মানুষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে থাকে। অথবা অনেক আর্টিকেল ডাইরেক্টরী আছে, যেখানে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে লিখে আর্টিকেল জমা দেয়ার সুযোগ আছে। এসব আর্টিকেলে আপনি আপনার নির্দিষ্ট পণ্যের লিংক অন্তর্ভুক্ত করে দিতে পারেন। আর এভাবেই আপনার ওয়েবসাইটে ব্যাকলিঙ্কের পরিমাণ বাড়বে ও গুগলে আপনার সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্ক ধীরে ধীরে বাড়বে।

উপসংহারঃ মোটামুটি এই কয়েকটি বিষয়ের উপর কাজ করে একটি ওয়েবসাইট তৈরি ও জনপ্রিয় করে তোলা যায়। কিন্তু এর বাইরে আপনাকে ভালো হোস্টিং, ত্রুটিমুক্ত সিএমএস ও থিম নির্বাচন করতে হবে। এছাড়াও আপনার ওয়েবসাইট যাতে খুব দ্রুত ব্রাউজারে লোড হয় ও মোবাইল ফ্রেন্ডলি থাকে, সেদিকেও যত্ন নিতে হবে। ত্রুটিমুক্ত সংক্ষিপ্ত থিম তৈরি করার জন্য আপনি আমাদের ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আমরা এসইও, ইমেইল মার্কেটিং ও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ও লিড জেনারেশন সার্ভিস দিয়ে থাকে। আপনার পছন্দের পরিষেবা পেতে আজই যোগাযোগ করুন।

Leave a Reply